ঢাকা, ||

টানা বর্ষণের সাথে আমাবস্যার জোয়ার, ইন্দুরকানীর ১৫ গ্রাম প্লাবিত


সারাদেশ

প্রকাশিত: ১:০৪ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২১, ২০২০

বিশেষ প্রতিনিধি:
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্মচাপের কারণে গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণ আর আমাবস্যার জোয়ারে প্লাবিত হয়েছে পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার ১৫টি গ্রামের নিম্মাঞ্চল। কয়েকটি গ্রামের উঠতি পাকা ইরি ধান তলিয়ে রয়েছে। দেখা দিয়েছে গো-খাদ্য সংকট। কচা নদীর বিভিন্ন স্থানে ভাঙা বেঁড়িবাঁধ দিয়ে পানি ঢুকে পড়ায় নদী সংলগ্ন গ্রামগুলো প্লাবিত হয়।

এ কারণে দুর্ভোগে পড়েছে কয়েক হাজার মানুষ। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রসহ অনেকের বসতবাড়ির বাগান ও উঠানে জোয়ারের পানি থৈ থৈ করছে। পাড়ের হাট-বাজার এবং চন্ডিপুর হাটের অলিগলি জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে। পানি উপচে পড়ায় অনেক জায়গার কাচা পাকা রাস্তা ঘাট ভেঙে পড়েছে। কয়েক ফুট পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে আমান ধানের বীজতলা।
এছাড়া চন্ডিপুর ইউনিয়নের ৬টি ইটভাটায় কচা নদীর জোয়ারের পানি ঢুকে পড়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছে ভাটাগুলো। অতিরিক্ত জোয়ারের পানিতে তলিয়ে রয়েছে কলারন খেয়াঘাট এবং টগড়া ফেরিঘাটের গ্যাংওয়ে। নদীতে অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধির কারণে টগড়া-চরখালী ফেরি চলাচলও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার বেড়িবাঁধ বিধ্বস্ত টগড়া, খোলপটুয়া, পূর্ব চরবলেশ্বর, পূর্ব চন্ডিপুর, বালিপাড়া, কালাইয়া, সেউতিবাড়িয়া, পাড়েরহাট, কলারন, পশ্চিম বালিপাড়া, টেংরাখালী, ইন্দুরকানী, ভবানীপুর, ঢেপসাবুনিয়া এবং চাড়াখালী গুচ্ছগ্রামের নিম্মাঞ্চল অতি বৃষ্টি আর জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। কচা ও বলেশ্বর নদের পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নদীর সাথে সংযুক্ত খালগুলো দিয়ে পানি ঢুকে পড়ছে লোকালয়ে।

পূর্ব চন্ডিপুর গ্রামের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম টিটু জানান, নদীতে জোয়ারের পানি বৃদ্ধিতে আমাদের আশপাশের গ্রামগুলোতে পানি ঢুকে পড়ায় চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে।
খোলপটুয়া গ্রামের ইউপি সদস্য আবুল হোসেন জানান, গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণ আর জোয়ারের পানিতে আমাদের নদীর তীরবর্তী গ্রামগুলোর নিম্মাঞ্চল ডুবে গেছে।

Top