ঢাকা, ||

পিরোজপুর-১ আসনে শামীম সাঈদী প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত


না‌জিরপুর

প্রকাশিত: ৩:৫৬ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৬, ২০১৮

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

পিরোজপুর-১ আসনে জোটের প্রার্থী হিসাবে মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর সন্তান শামীম সাঈদীকে প্রার্থী হিসেবে পেয়ে বিএনপির তৃণমূলের নেতা কর্মীরা উজ্জীবিত। এ আসনে ঐক্যফ্রন্ট থেকে দু’জন প্রার্থী করা হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী পর পর দু বার এ আসনে এমপি ছিলেন। তার সময়ে পিরোজপুর- ১ আসনের সর্ব্বস্তরের মানুষ সমান সুযোগ ভোগ করেছেন। তিনি শত শত কোটি টাকার উন্নয়ন করতে গিয়ে সরকারের অর্থের তছরুপ না করার বিষয়টি পিরোজপুর বাসি শ্রদ্ধার সাথে মনে রেখেছেন। তার সময় টেন্ডারবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড, দলবাজি ও নিয়োগ বাণিজ্য না হওয়ায় সাধারণ মানুষ আজো তার সময়ের উদাহরণ দিয়ে থাকেন।

উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক এইচ এম লাহেল মাহমুদ বলেন, মাওলানা সাঈদীর পুত্র প্রার্থী হওয়ায় একটি কুচক্রীমহল খুশি না হলেও সাধারণ ভোটারসহ নিরিহ মানুষেরা উজ্জীবিত।

উপজেলার সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আছাদুজ্জামান শিকদার, সাধারন সম্পাদক মো. মহর আলী মৃধা, শাখারীকাঠীর সভাপতি মো. জাকির হোসেন খান, মালিখালীর সভাপতি মাষ্টার মো. হাবিবুর রহমান, দেউলবাড়ির সাধারন সম্পাদক মো. হান্নান শিকদার, শ্রীরামকাঠী সাধারন সম্পাদক মো. নাছির উদ্দিন মল্লিক, কলারদোয়ানিয়ার সহ-সভাপতি মো. আরিফুর রহমান উজ্জল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. রফিকুল ইসলাম টুকু, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক অ্যাডভোকেট. অনুপ কুমার শিকদার, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. মাজেদুল কবির রাসেল, সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক মুহাম্মদ তাওহীদুল ইসলাম প্রমুখ বলেন, যেহেতু সাবেক সাংসদ দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী এমপি থাকা কালে এখানে কোন নিয়োগ বাণিজ্যসহ কোন দুর্নীতি হয়নি। সাধারণ মানুষের মুল্যায়ন ছিলো। তিনি কোন সন্ত্রাসী বা ক্যাডার বাহিনী তৈরি করেননি। তাই তার ব্যক্তি ইমেজকে কাজে লাগিয়ে ও জামায়াতের নিজস্ব কিছু ভোট থাকায় এ আসনে সাঈদী পুত্র শামীম সাঈদীকে ধানের শীষের প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন দিলে আমাদের বিজয় সুনিশ্চিত।

Top