ঢাকা, ||

খালেদার বিকল্প প্রার্থী ফখরুল ফের কাঁদলেন


রাজনীতি

প্রকাশিত: ২:৫৪ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৮, ২০১৮

অনলাইন ডেক্সঃ

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া নির্বাচনে অযোগ্য হলে তার জন্য নির্ধারিত বগুড়া-৬ আসনে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে লড়বেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার ওই আসনে খালেদা জিয়ার বিকল্প প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্রে স্বাক্ষর করতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন তিনি।

ফখরুল ইসলাম কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, আজকে এই ফরমে সই করতে গিয়ে আমি অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হয়েছি। নেতারাও ভারাক্রান্ত হয়েছে। আমরা পরম করুনাময় আল্লাহ তায়ালার কাছে ভরসা রাখছি যে, আগামী নির্বাচনে আমাদের জয় ইনশাআল্লাহ হবেই।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, পার্টি থেকে আমাকে বলা হয়েছে বগুড়া-৬ (সদর) আসন থেকে নির্বাচন করার জন্য।

এদিন বেলা সাড়ে ১১টা সৈয়দপুর বিমানবন্দরে এ দৃশ্যের অবতারণা হয়।

এসময় মির্জা ফখরুল ঢাকা থেকে নভোএয়ারের একটি ফ্লাইটে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।

এটি ছাড়াও মির্জা ফখরুল ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকেও লড়বেন।

ফখরুল বলেন, দেশনেত্রীকে বাদ দিয়ে নির্বাচন করার কথা আমরা কখন ভাবিনি। আজকে এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত হৃদয় বিদারক। বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী, তাকে বাদ দিয়ে একটি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, এটা সরকারের যে অপকৌশল, নির্বাচনের ঠিক পূর্বে এ রায় ঘোষণা করার অর্থ হচ্ছে দেশনেত্রীকে নির্বাচন প্রক্রিয়া থেকে দূরে সরিয়ে রাখা। গোটা ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে বিএনপিকে, খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখার। তারই অংশ হিসেবে এ আদেশ, এ রায় হয়েছে।

বিএনপি এই নেতা বলেন, আমরা এ নির্বাচনকে আমাদের আন্দোলনের অংশ হিসেবে নিয়েছি। বর্তমানে যে পরিস্থিতি, সেই পরিস্থিতিকে সঙ্গে নিয়ে আমরা এই চ্যালেঞ্জের মোকাবেলা করছি। যতই সরকার চেষ্টা করুক আমাদেরকে নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে দেয়ার, আমরা নির্বাচন থেকে দূরে সরে যাব না। আমরা শেষ পর্যন্ত এই নির্বাচনে থাকব। আমাদের এ নির্বাচনে জয়ী হয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্ত করবো।

এর পর তিনি সৈয়দপুর থেকে ঠাকুরগাঁওয়ের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন সেখানে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার জন্য।

এসময় বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন, সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক, সৈয়দপুর পৌরসভার মেয়র আমজাদ হোসেন সরকার, পৌর কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা জিয়াউল হক জিয়া, দিনাজপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্যপ্রার্থী আখতারজ্জামান মিয়া।

উল্লেখ্য, গত ২৬ নভেম্বর বিএনপির কারাবন্দি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে তিনটি আসনে মনোনয়ন সংক্রান্ত চিঠি দেয়ার প্রসঙ্গ টেনে কেঁদে ফেলেছিলেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার বিকেলে গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

ওইদিন খালেদা জিয়াকে তিনটি আসনে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। এগুলো হলো ফেনী-১, বগুড়া-৬ ও বগুড়া-৭।

Top