ঢাকা, ||

ইন্দুরকানীতে হাতির চাঁদাবাজি,অতীষ্ঠ সাধারন মানুষ


অর্থনীতি

প্রকাশিত: ৮:২৭ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২৪, ২০১৮

রাকিবুল ইসলাম রাকিব, ইন্দুরকানী থেকেঃ

ইন্দুরকানীতে হাতির চাঁদাবাজি,অতীষ্ঠ সাধারন মানুষ। হাতি দিয়ে গাড়ী থামিয়ে নেয়া হচ্ছে টাকা। এই টাকা আদায়ে অতীষ্ঠ হয়ে উঠেছে এলাকার মানুষ। ইন্দুরকানীর বিভিন্ন বাজারে  ও গ্রামে হাতি দিয়ে অভিনব কায়দায় চলছে এ চাঁদাবাজি।

যত্রতত্র হাতি দাঁড় করিয়ে টাকা আদায়ের কারণে বিড়ম্বনায় পড়েছেন ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ। হাতি শুঁড় দিয়ে এমনভাবে মানুষ ও যানবাহন আটক করছে যে ভুক্তভোগী ইচ্ছার বিরুদ্ধে টাকা দিতে বাধ্য হচ্ছেন।

হাতিকে ১০ টাকা করে দিতে হবে, কারণ হাতি শুঁড় দিয়ে চেপে ধরছে। ১০ টাকার কম দিলে তা গ্রহণ করছে না। ১০ টাকা দিলে হাতিটি পিঠে বসে থাকা মালিককে শুঁড় উঁচিয়ে টাকা দিয়ে দেয়।

হাতি দোকানের সামনে এসে দাঁড়ালে ক্রেতারা ভয়ে দোকানে ঢুকতে সাহস পান না। বিড়ম্বনা এড়াতে দোকান মালিকরা  বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে দেয়, যাতে হাতি তাড়াতাড়ি দোকানের সামনে থেকে চলে যায়।

এছাড়া হাতি  যানজট বাড়িয়ে দেওয়ায় দুর্ভোগের শিকার হন সাধারন মানুষ, বড় আকৃতির হাতি, পিঠে বসে ৩০ বছর বয়সের যুবক  হাতির মালিক । পিচ ঢালা রাস্তায় চলাচলকারি বিভিন্ন যানবাহনের পাশাপাশি মালিককে পিঠে নিয়ে হেলে দুলে রাস্তার একপাশ দিয়ে চলছে হাতি । রাস্তার পাশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিককে সুঁড় উঁচু করে জানাচ্ছে সালাম।

উদ্দেশ্য একটাই, তা হলো টাকা নেওয়া। আর টাকা পেলেই তা ধরিয়ে দিচ্ছে পিঠে বসা মালিককেকে। এভাবেই দোকানে দোকানে সালাম দিয়ে আদায় করছে টাকা। দোকান মালিকদের কেউ ১০ টাকার কম দিলে ওই টাকা না নিয়ে দাড়িয়ে থাকছে হাতি।

১০ টাকা দেওয়ার পর শুড় দিয়ে ওই টাকা নিয়ে তার পিঠে বসা মালিককে ধরিয়ে দিয়ে, সেখান থেকে আরেক দোকানে গিয়ে একইভাবে টাকা আদায় করছে।

জানা যায়, এভাবে প্রতিদিন এক হাতি প্রায় ২/৩ হাজার টাকা আয় করে। এটা একটা ঠান্ডা মাথার চাঁদাবাজি বলে মনে করছে অনেকে।

Top